১৫ই জানুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রজব, ১৪৪৬ হিজরি

নাগরপুরে বয়স গোপন রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করায় পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার

admin
প্রকাশিত মে ২, ২০২৩
নাগরপুরে বয়স গোপন রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করায় পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার

Sharing is caring!

 

স্টাফ রিপোর্টার: টাংগাইলের নাগরপুরে বয়স গোপন রেখে ২০২৩ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করায় পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নাগরপুরের নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে এক ছাত্র কে বহিস্কার করা হয়। সে নাগরপুর সদর ইউনিয়নের দুয়াজানী গ্রামের মোঃ রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের ছেলে এসএম শামীম আল মামুন।

জানা যায়, নাগরপুর সদর ইউনিয়নের দুয়াজানী গ্রামের মোঃ রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের ছেলে এসএম শামীম আল মামুন। সে ২০০০ সালে মোঃ শাহীনুর ইসলাম পিতাঃ মোঃ রিয়াজ উদ্দিন নাম দিয়ে চৌহালী জনতা হাইস্কুল থেকে রাজশাহী বোর্ডে অধিনে ৬১৩ নম্বার পেয়ে মাধ্যমিক পাস করে। পূর্নরায় ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে নাম পরিবর্তন করে এসএম শামীম আল মামুন ও পিতাঃ মো.রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রোশন করে ২০২৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। ৩০ এপ্রিল রবিবার বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা চলাকালে বিষয়টি কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাও নজরে আসে। ওই কর্মকর্তা তার উর্ধ্বতন অফিসারকে বিষয়টি জানান। এসময় ওই ছাত্রের কাছে জানতে চাইলে অকপটে সব স্বীকার করে।পরীক্ষা শেষে এডমিট কার্ড ও রেজিঃ কার্ড জব্দ করে হল কর্তিপক্ষ। মঙ্গলবার ২ মে বাংলা ২য় পত্র চলাকালে কেন্দ্রের সভাপতি উপজেলা নিবার্হী অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান ওই ছাত্রকে বহিস্কার করেন।
এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী বলেন, আমি এর আগে ২০০০ সালে রাজশাহী বোর্ড থেকে এসএসসি পাস করে। সার্টিফিকেটে বয়স কমানোর জন্য নতুন করে ২০০৭ সালে জন্ম তারিখ দেখিয়ে জন্ম সনদ বের করে এবং ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রেজিষ্ট্রোশন করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি।
কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা জিএম ফুয়াদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালন কালে ওই ছাত্রকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাই।
কেন্দ্র সচিব ও নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী মনসুর বলেন, ওই ছাত্রর এনআইডিকার্ডে তার বয়স ১৯৮৪ এবং জন্ম সনদে তার বয়স ২০০৭।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহীনুর ইসলাম বলেন, এনআইডি কার্ডে তার জন্ম ১৯৮৪ এবং নতুন জন্ম সনদে তার জন্ম ২০০৭ । ইতিপূর্বে সে এসএসসি পাস করেছে। সে ২০/২২ বছর পর আবার এসএস পরীক্ষায় অংশ গহন করার সুযোগ পায়। বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজলুর রহমান, জানান জন্মসনদ ও জি এস সি সাটিফিকেটের ভিত্তিতে বোর্ডের নিয়ম অনুয়ায়ী রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। এ ঘটনার জন্য জন্মসনদ প্রধানকারী প্রতিষ্ঠান গুলো কে আরও সতেচন হওয়ার কথা উল্লেখ করেন বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।