১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

চট্রগ্রাম সন্দ্বীপ আজিমপুর ইউনিয়নে কিশোর গং এর নেতৃত্ব দাতা ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী ( জলদস্যু মাকসুদের) এর ভয়ে জিম্মি এলাকাবাসী

অভিযোগ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১
চট্রগ্রাম সন্দ্বীপ আজিমপুর ইউনিয়নে কিশোর গং এর নেতৃত্ব দাতা ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী ( জলদস্যু মাকসুদের) এর ভয়ে জিম্মি এলাকাবাসী
Spread the love

চট্রগ্রাম সন্দ্বীপ আজিমপুর ইউনিয়নে কিশোর গং এর নেতৃত্ব দাতা ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী ( জলদস্যু মাকসুদের) এর ভয়ে জিম্মি এলাকাবাসী। কি তার পরিচয়? খুটির জোর কোথায়?

নিউজ ডেস্ক চট্রগ্রাম : চট্রগ্রাম সন্দ্বীপ আজিমপুর ইউনিয়নে কিশোর
গং নেতৃত্বদাতা ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী জনপদের
এক আতংকিত সন্ত্রাসীর নাম “মাকসুদ”
ওরফে ( জলদস্যু মকসুদ )।

দুই, তিন, বছর আগে থেকে জামাত, বি,এন,পির সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন ছোটখাটো চুরি, চিন্তায় ও ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল এই মাকসুদ ।

পরে ধীরে ধীরেই বেড়ে উঠেছে তার অনৈতিক কর্মকান্ডের সহযোগী বেশ কয়েকজন। কিছু দিন পরে এলাকায় নামধারী রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়ে চলে গিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলে প্রভাবশালী নেতাদের সাথে, হয়ে উঠে শীর্ষ সন্ত্রাসী, কিশোর গং এর লিডার ও মাদক ব্যাবসায়ী ।

জানা গেছে, সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়ন সহ সন্দ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলে চাঁদাবাজি, ডাকাতি,দস্যুতা, ইয়াবা ব্যবসা, নারী ধর্ষন, মার্ডার সহ হাজারো অপরাধের মুল হোতা এই “জলদস্যু মাকসুদ। তার এই অনৈতিক কর্মকান্ডের খবর দেশের বিভিন্ন মিডিয়াতে ও আসে। সন্দ্বীপ উপজেলা প্রসাশনের নিরব ভূমিকা পালনে দিনের পর দিন তার অপরাধের মাত্রা বেড়ে চলছে।

প্রসাশন সূত্রে জানা গেছে, পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা কালে পুলিশের একটি টিম তাহাকে ঘিরে ফেলে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সে মামলায় প্রায় দেড় বছর জেল খেটে জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর পূর্বের ন্যায় বেপরোয়া হয়ে অন্ধকার জগতের গডফাদারদের সাথে জড়িয়ে, অস্ত্র ব্যাবসা, ইয়াবা ব্যবসা, নারী ধর্ষণ, খুন ও ডাকাতি মত অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তার করার মতো প্রশাসনের টনক নড়ছে না। প্রশাসন নির্বিকার? প্রভাবশালীদের আশ্রয়, প্রশ্রয় ও টাকার জোরে আইনের প্রতি কোন তোয়াক্কা না করে সুকৌশলে নানা অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে কিশোর গং এর নেতৃত্বদাতা ( জলদস্যু মাকসুদ ) । এই সন্ত্রাসী রাতের আধারে অস্ত্র দেখিয়ে বহু মানুষের কাছে থেকে নিয়ে গেছে অনেক টাকা- পয়সা, স্বর্ণ- অলংকার, মোবাইল ফোন সহ নানা দামী জিনিস পত্র । তার অত্যাচারে ঐ এলাকার কয়েকটি পরিবার বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে প্রতিনিয়ত মেরে ফেলা হুমকি দিয়ে আসে বলে জানা যায়।

গত তিন বছর ধরে বেপরোয়া এই মাকসুদ। ছিনতাইকারী থেকে সে ধীরে ধীরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। করোনাকালীন সময়ে এই সময়ে ও তাকে নিয়ে রীতিমতো অস্থির হয়ে পড়েছিলেন সন্দ্বীপ উপজেলা আজিমপুর ইউনিয়ন এর সাধারণ জনগণ। যাকে তাকে অস্ত্র নিয়ে তাড়া, নিকটজনকে হুমকি, প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও অসামাজিক কাজ চালাতো নির্বিঘ্নে। তার অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল এলাকার স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতাদের । তারা নিয়মিতই তার কাছ থেকে টাকা নিতো এবং নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ দিতো। ফলে এলাকার অনেকেই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতেন না।

কিছু দিন আগে ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বশত ও ইয়াবা ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় আজিমপুর ইউনিয়ন ৭ নং ওর্য়াড এর যুবলীগ কর্মী বেলাল এর উপর হত্যার উদ্দেশ্যো অস্ত্র, সস্ত্র নিয়ে তার পালিত কিশোর গংদের কে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে গুরুতর আহত করে দেয়। আহত বেলাল বাদী হয়ে সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা ও করেন
বেপরোয়া তালিকাভূক্ত এ সন্ত্রাসী বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নিতে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগীরা ও এলাকার সাধারণ জনগণ।

August 2022
T W T F S S M
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

শ্রীবরদীর ডেউপা নদী থেকে বালু লুটপাটের মহোৎসব, হুমকির মুখে পরিবেশের ভারসাম্য শেরপুর, জেলা, প্রতিনিধিঃ শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কর্নঝোড়া- ডেউপা নদী থেকে বালু লুটপাটের মহোৎসব চলছে। বালু দস্যুদের কালোথাবায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে পরেছে নদীও নদীর দুপুরের রাস্তাঘাট। অপরদিকে প্রতিবছর সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমানের রাজস্ব আয় থেকে। জানা গেছে স্থানীয় বালু বালুদস্যুরা নদীর বিভিন্ন স্থানে শ্যালোইঞ্জিন চালিত ড্রেজারমেশিন বসিয়ে বালু লুটপাট করে আসছে। দীর্ঘ প্রায় একযুগ ধরে এ নদী থেকে চলছে অবৈধভাবে বালু লুটপাটের মহোৎসব। বালু দস্যুদের থাবায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে পরেছে নদীও নদীর দুপুরের রাস্তাঘাট। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান ও পরিচালনা করা হয়। কিন্ত অভিযান পরিচালনার পুর্বেই অভিযানের খবর পেয়ে যায় বালু দস্যুরা। ফলে অভিযানিকদল ঘটনাস্থলে পৌছার পুর্বেই বালু উত্তোলন যন্ত্র সরিয়ে ফেলা হয়। কিভাবে অভিযানের খবর বালুদস্যুদের কাছে পৌছায় এ নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। জানা গেছে, বালুদস্যুরা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা মূল্যের বালু লুটপাট করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছেন । স্থানীয়রা জানান, সালমান খান,শফিকুল ইসলাম, মাসুদ মিয়া, , ইব্রাহিম,বিপ্লব, ইয়াছিন, আহমদ আলী বিডিআর, বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের সঙ্গবদ্ধ একটি দল এসব বালু উত্তোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বকশিগঞ্জ সদরের বাসিন্দা বালু ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন প্রতি মাহিন্দ্র বালু তাদের কিন্তে হয় তিন হাজার টাকায়। তবে সালমান খানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন অতিতে তিনি বালু উত্তোলনের সাথে জরিত ছিলেন। তিনি বালু ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। গত এক যোগ ধরে বালু লুটপাট করে অনেকেই অঙ্গুল ফলে কলাগাছ বনে গেছে বলে জানান ওই গ্রামের ইউপি সদস্য আহসান আলী উস্তাদ। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা গেছে বালু দস্যুরা ডেউপা নদীর , কর্নঝোড়া, মেঁঘাদল হাঁড়িয়াকোণা বাবেলাকোনা এলাকায় ১৫/ ২০ টি শ্যলোইঞ্জিন চালিত ড্রেজার মেশিন বসিয়ে আবাধে বালু লুটপাট চালিয়ে আসছে। শ্রীবরদী উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা ও স্থানীয়রা জানান, এ নদী থেকে দিনেরাতে চলছে অবাধে বালু লুটপাট। এ নদীর দু পাশে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে রয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। এ নদীতে থেকে বালু উত্তোলন ও বালু পরিবহন যন্ত্রের শব্দে তারা অতিষ্ঠ। বালু উত্তোলন যন্ত্রের শব্দে তাদের লোকজনের চোখে রাতের ঘুম হারাম হয়ে পড়ে। মাহিন্দ্র যোগে অবাধে বালু পরিবহনের ফলে নদীর দুপাশে রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে চলাচল অনুপযোগি হয়ে পরেছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণের রাজস্ব আয় থেকে। অপরদিকে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখিন হয়ে পরেছে। বালু দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। আবার কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে প্রভাবশালী বালু দস্যুদের কালোথাবা। এ নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে কর্নঝোড়া বিজিবি ক্যাম্প ও বন বিভাগের ফরেস্ট অফিস। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তারা নীরব ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিজিবির ৩৯ ব্যাটালিয়নের নওকুচি সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার উমর ফারুক বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি, আমার কাছে এবিষয়ে কোন তথ্য জানা নেই। তিনি বলেন অবৈধভাবে বালু লুটপাট বন্ধের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। মাঝে মধ্যে বিজিবির পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার বলেন, ঈদের আগে ডেউপা নদীতে তিনি অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু কোনো লোক বা বালু উত্তোলনের কোনো সরঞ্জাম ( ড্রেজার মেশিন) পাননি । তবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, অপরাধীদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে ।