চসিক নির্বাচনে বাড়ছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা

প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২০

চসিক নির্বাচনে বাড়ছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা

আব্দুল করিম,চট্রগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানঃ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টির পাশাপাশি বাড়ছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা।

 

গত সাত দিনে বিভিন্ন অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সতর্ক করেছেন এক মেয়র এবং ২৮ কাউন্সিলর প্রার্থীকে। আর সংঘর্ষ হয়েছে অন্তত ৭টি ওয়ার্ডে। ৯ মার্চ প্রতীক পেয়েই আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামেন চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশন নির্বাচনের ৭ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ১৬১ জন সাধারণ এবং ৫৬ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী। আর প্রচারণায় নেমে তারা যেমন প্রতিপক্ষের সাথে সংঘাতে জড়াচ্ছেন, তেমনি আচরণ বিধি না মেনেই চেষ্টা করছেন নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীসহ আরো ২৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থীকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশন নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। এবং ভবিষ্যতে সে আচরণবিধি মেনে চলবেন সেই নিশ্চয়তা আমাদের প্রদান করেছেন।প্রার্থীদের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত পর্যন্ত মাঠে থাকছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ১৪টি ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

গত সাত দিনে এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত ওয়াহিদ মুরাদ নামে এক মেয়র প্রার্থীর সমর্থকসহ ৪ কাউন্সিলর প্রার্থীকে আর্থিক জরিমানা করেছেন। সেই সঙ্গে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে আরও অন্তত একশ’ কাউন্সিলর প্রার্থীকে।
জেলা প্রশাসন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তারা বড় বড় সাইজের পিবিসি ব্যানার ব্যবহার করেছে যেটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এবং অনেক সময় তারা অনুমতি ছাড়াই প্রচার সরঞ্জাম ব্যবহার করছে।

 

প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূত বড় সাইজের পোস্টার সাঁটানো, প্লাস্টিকের ব্যানার ব্যবহার করা, প্রতিপক্ষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, পোস্টারে দলীয় নেতাদের ছবি সংযুক্ত করার মতো আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে নির্বাচন কমিশন। তবে প্রার্থীদের দাবি, সতর্ক করার সাথে সাথেই তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন।বাগমনিরাম ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, একটা সাইজের আমি সব ব্যানারগুলো লাগিয়েছি।

 

পরে আমি সেগুলো সরিয়ে ফেলেছি।আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড ৩১ নম্বর কাউন্সিলর প্রার্থী জহরলাল হাজারী বলেন,  আমরা যে ব্যানারগুলো ব্যবহার করেছি, সেগুলো আজকের মধ্যে খুলে ফেলব।এদিকে ১২ নম্বর সরাই পাড়া, ২৫ নম্বর রামপুরা, ২৮ নম্বর পাঠানটুলী এবং ৩৮ নম্বর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ