খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি পিছিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত: ১২:৫৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি পিছিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি

অভিযোগ প্রতিবেদক :

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের পরবর্তী শুনানি ২৭ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) নির্ধারণ করেছে হাইকোর্ট।

 

একই সঙ্গে আগামী বুধবারের মধ্যে মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুসারে খালেদা জিয়া অ্যাডভান্স থেরাপির জন্য সম্মতি দিয়েছেন কি না, দিলে সেই চিকিৎসা শুরু হয়েছে কি না, চিকিৎসা শুরু হলে এখন কী অবস্থা, তা জানিয়ে আদালতে এ প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে এ আদেশ দেন।

 

ভাষার মাসে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বাংলায় এ ঘোষণা দেন।

 

খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন।

 

দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

দল ও পরিবারের সদস্যরা তাকে অন্য হাসপাতালে নিতে চাইলেও তাতে অনুমতি মেলেনি।

 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিনের জন্য এর আগেও হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। কিন্তু অপরাধের গুরুত্ব, সংশ্লিষ্ট আইনের সর্বোচ্চ সাজা এবং বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত- এ তিন বিবেচনায় হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩১ জুলাই সেই আবেদন খারিজ করে দেন।

 

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এরপর আপিল বিভাগে যান। ১২ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) আপিল বিভাগ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেন।

 

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। লন্ডন থেকে স্কাইপে বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান।

 

স্বজনদের দাবি, গেলো ৫ মাসে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার ধারাবাহিকভাবে অবনতি ঘটছে। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে লিখিত আবেদনও করেছেন তারা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ