চট্টগ্রাম থেকে কে হচ্ছেন সাংগঠনিক সম্পাদক!

প্রকাশিত: ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯

চট্টগ্রাম থেকে কে হচ্ছেন সাংগঠনিক সম্পাদক!

আব্দুল করিম,চট্রগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান :-

আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলন শেষে দুই দফায় কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছে ৬ জন। এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছে দুইজনের নাম।

 

তবে কমিটিতে বিভিন্নপদে এখনো ৭টি পদ খালি রাখা হয়েছে। গতকমিটিতে চট্টগ্রাম থেকে একজন সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত ঘোষিত কমিটিতে চট্টগ্রাম থেকে কাউকে সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হয়নি।

 

তাই চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় এখন কে হচ্ছেন সাংগঠনিক সম্পাদক।

 

এছাড়াও খালি পদে আরও কয়েকজন কি যুক্ত হচ্ছেন? তবে সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও ২/৩ দিন।২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিল অধিবেশনে প্রথম দফায় ঘোষিত কমিটির ৫১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদে সমাজবিজ্ঞানী ড. অনুপম সেন ও প্রণব কুমার বড়ুয়াকে পুনরায় একই পদে রাখা হয়।

 

প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে স্বপদে বহাল রাখা হয় মীরসরাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপিকে। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক থেকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় রাঙ্গুনিয়ার এমপি ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে। পদোন্নতি দিয়ে উপ-দপ্তর সম্পাদক থেকে দপ্তর সম্পাদক করা হয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে।

 

২৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ঘোষণা করা হয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকটি পদ। কমিটিতে চট্টগ্রাম থেকে অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আতাউর রহমান খান কায়সারের কন্যা ওয়াসিকা আয়েশা খান। যিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।

 

উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আমিনুল ইসলাম আমিনকে স্বপদেই রাখা হয়েছে। রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপঙ্কর তালুকদারকেও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বহাল রাখা হয়েছে।

 

গত কমিটিতে প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো পদে রাখা হয়নি তাকে। তবে এখনো পর্যন্ত একটি সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ছাড়াও বাকি রয়েছে প্রায় ৭টি পদ।

 

চট্টগ্রাম থেকে একজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হতে পারে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রেসিডিয়াম সদস্য নিশ্চিত করেছেন। সেক্ষেত্রে তরুণ কোনো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এ পদে আসতে পারে।

 

এখনো চট্টগ্রাম থেকে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছেন তারা হলেন, আওয়ামী লীগনেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী ও শাহাজাদা মহিউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজনের নাম।

 

তবে আলোচনায় নেই এমন কাউকেও এ পদে এনে চমক দেখাতে পারেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। যেভাবে ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েম খানকে উপ-দপ্তর পদ দিয়েছেন।

 

যাকেই দিক সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটি দিন। হয়তো কারও কপাল খুলতে পারে সভানেত্রীর সিদ্ধান্তে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ